সংবাদ শিরোনাম:
পিএম ইন্টারন্যাশনালের নিবন্ধিত ৭৪১ শিশুকে বই-খাতা রাখার র‌্যাক ও চেয়ার উপহার আমতলীতে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে শিক্ষার্থী সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা দেবীগঞ্জে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন দেবীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ভূরুঙ্গামারীতে বিদ্যালয়ের ফ্যান ও সিসি ক্যামেরা চুরি এনসিপির ভূরুঙ্গামারী উপজেলার, আহ্বায়ক কিরণ, সদস্য সচিব আনিস ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা সার লুটের ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন ১০০ বস্তা সার উদ্ধার ভূরুঙ্গামারী হাসপাতালে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় ভোগান্তি ভূরুঙ্গামারীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপন
ভূরুঙ্গামারী হাসপাতালে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় ভোগান্তি

ভূরুঙ্গামারী হাসপাতালে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় ভোগান্তি

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় শিশু রোগী ও তাদের অভিভাবকদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ না থাকায় তাদেরকে বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে হচ্ছে নতুবা সাধারণ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হচ্ছে।
জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জুনিয়র কনসালট্যান্ট (পেডিয়াট্রিক্স বা শিশুরোগ) পদটি দীর্ঘদিন যাবত শুন্য রয়েছে। প্রতিদিন উপজেলা বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জ্বর, সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন অভিভাবকরা। বিশেষ করে গ্রাীষ্ম, বর্ষা ও শীতকালে শিশু রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় জটিল রোগে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে স্থানীয় বেসরকারি ক্লিনিকের ওপর নির্ভর করতে হয়। তা-না হলে দূরবর্তী কুড়িগ্রাম জেলা সদর অথবা বিভাগীয় শহর রংপুর যেতে হয়।
সাজ্জাদ নামের এক অভিভাবক বলেন, অসুস্থ শিশুরা তাদের সমস্যা বলতে পারে না। তাদের রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাসপাতালে শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ না থাকায় অনেক সময় বাধ্য হয়ে নিকটস্থ বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে হচ্ছে। তা-না হলে কুড়িগ্রাম কিংবা রংপুরে যেতে হচ্ছে। এতে একদিকে বাড়তি অর্থ ব্যয় হচ্ছে, অন্যদিকে জরুরি অবস্থার রোগী নিয়ে দূরের হাসপাতালে যাওয়ায় ঝুঁকিও বাড়ছে।
কয়েকজন অভিভাবক বলেন, শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় শিশুদের নিয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে হচ্ছে। এতে নিম্নআয়ের অভিভাবকদের সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক থাকলে প্রত্যন্ত এলাকার শিশু রোগীরা সহজেই চিকিৎসা সেবা পেত।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু সাজ্জাদ মোহাম্মদ সায়েম বলেন, শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পদায়ন করা হলে শিশুদের চিকিৎসা সেবা আরও উন্নত হবে।
সচেতন মহলের দাবি, শিশুদের চিকিৎসার জন্য দ্রুত একজন শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পদায়ন করা হোক। শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পদায়ন করা হলে শিশু রোগী ও তাদের অভিভাবকদের ভোগান্তি কমবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি

Design & Development BY : ThemeNeed.com